1. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
  2. dkp24news@gmail.com : dainikkonthoprotidin :
ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিখুঁত ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত প্রায় শেষ! ভবিষ্যৎ সামরিক প্রস্তুতি নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ - দৈনিক সময়ধারা
শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ঢাকা-যশোর রুটে ৯ সেপ্টেম্বর থেকে ইউএস-বাংলার ফ্লাইট চালু সোনার দাম আবারও বাড়ল, ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা বৃদ্ধি বাংলাদেশের সঙ্গে গঠনমূলক সম্পর্ক চায় ভারত, বাড়তি জ্বালানি সরবরাহ বিবেচনায় সামরিকভাবে দুর্বল হামাস, তবু কি শেষ হয়নি তাদের রাজনৈতিক প্রভাব? বিনা মূল্যে ভেরিফায়েড ব্যাজ দিচ্ছে ফেসবুক, যেভাবে পাবেন কেরানীগঞ্জ কদমতলীর ব্যস্ত সড়কে ময়লার স্তূপ, দুর্ভোগে পথচারীরা কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গড়াই সরকারের লক্ষ্য: কিশোরগঞ্জে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দিল্লির দুই আমন্ত্রণ, কী আছে ভারতের পরিকল্পনায়? ইরান আর কতদিন যুদ্ধ চালাতে পারবে? ছয় মাসের সংঘাতে বড় চাপে তেহরান ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়ানো পুরো মানবজাতির দায়িত্ব: এরদোয়ান

ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিখুঁত ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত প্রায় শেষ! ভবিষ্যৎ সামরিক প্রস্তুতি নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪০ Time View

ইরান যুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যাপক ব্যবহার, যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভান্ডার নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ইরানের বিরুদ্ধে টানা পাঁচ মাসের সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র তাদের অত্যাধুনিক দূরপাল্লার নিখুঁত ক্ষেপণাস্ত্রের বড় অংশ ব্যবহার করে ফেলেছে বলে দাবি করেছে বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র। এতে ভবিষ্যতে বড় ধরনের সামরিক সংঘাত মোকাবিলায় মার্কিন বাহিনীর প্রস্তুতি ও সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
অভ্যন্তরীণ তথ্যের সঙ্গে পরিচিত তিনটি সূত্রের দাবি, মার্কিন সেনাবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ স্থলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র ATACMS (Army Tactical Missile System) এবং নতুন প্রজন্মের Precision Strike Missile (PrSM)–এর মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। দুটি সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় পুরো কার্যকর মজুতই যুদ্ধ চলাকালে ব্যবহার করা হয়েছে।
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ATACMS দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম কার্যকর দূরপাল্লার হামলার অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। অন্যদিকে PrSM হলো আরও আধুনিক, নির্ভুল এবং উন্নত প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র, যা ভবিষ্যৎ যুদ্ধ কৌশলের অন্যতম প্রধান অংশ হিসেবে বিবেচিত।
ইউক্রেন যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সরবরাহ করা ATACMS ক্ষেপণাস্ত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। সেই অভিজ্ঞতার পর ইরান সংঘাতেও এসব অস্ত্র ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, প্রতিটি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্রের মূল্য ১০ লাখ মার্কিন ডলারেরও বেশি। তাই দ্রুত নতুন করে উৎপাদন ও মজুত গড়ে তোলা সহজ নয়। বিশেষ করে ভবিষ্যতে চীন বা অন্য কোনো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতের ক্ষেত্রে এসব অস্ত্র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন তারা।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, যুদ্ধ শুরুর আগে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) তাদের হাতে থাকা স্থলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্রের বড় অংশ ব্যবহার করে ফেলে। বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থেকে নতুন করে অস্ত্র সরবরাহের মাধ্যমে সেই ঘাটতি পূরণের চেষ্টা চলছে।
এদিকে অস্ত্রের ঘাটতির বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য না করলেও হোয়াইট হাউসের প্রকাশিত এক বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, বিশ্বের যেকোনো দেশের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভান্ডার এখনো অনেক বড় এবং প্রয়োজনের চেয়েও বেশি অস্ত্র তাদের হাতে রয়েছে।
অন্যদিকে ATACMS, PrSM এবং THAAD ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নির্মাতা প্রতিষ্ঠান লকহিড মার্টিন এবং টমাহক ও প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রস্তুতকারী রেথিয়ন এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি।
সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, গোলাবারুদ ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন আগের তুলনায় বাড়লেও দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের চাহিদা পূরণে বর্তমান উৎপাদন হার এখনো যথেষ্ট নয়। ফলে ভবিষ্যতের নিরাপত্তা কৌশল ও সামরিক পরিকল্পনায় এটি গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026
Themes By BDITWork.Com