
কদমতলী মেইন রোডেই ময়লার স্তূপ, নীরব কর্তৃপক্ষ; দুর্ভোগে পথচারী
ঢাকার কেরানীগঞ্জের কদমতলী এলাকার ব্যস্ত মেইন সড়কের মাঝখানে প্রকাশ্যে ফেলা হচ্ছে ময়লা-আবর্জনা। গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে দিনের বেলাতেও বর্জ্য জমে থাকায় নষ্ট হচ্ছে পরিবেশের সৌন্দর্য, পাশাপাশি ভোগান্তিতে পড়ছেন পথচারী ও যানবাহনের চালকরা।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কদমতলী মেইন রোডের একটি অংশে নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য ফেলা হচ্ছে। এতে সড়কের স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ার পাশাপাশি দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে আশপাশের এলাকায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কের আশপাশে থাকা বিভিন্ন রেস্তোরাঁ, হোটেল, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও আবাসিক ভবন থেকে উৎপন্ন বর্জ্যের একটি অংশ নির্দিষ্ট স্থানে না ফেলে সড়কের পাশে কিংবা মাঝামাঝি এলাকায় ফেলা হচ্ছে। তবে কারা এসব বর্জ্য ফেলছে এবং তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না—তা নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন।
ব্যস্ত সড়কের ওপর এভাবে ময়লা জমে থাকায় একদিকে যেমন পথচারীদের চলাচলে সমস্যা হচ্ছে, অন্যদিকে যানবাহন চলাচলেও তৈরি হচ্ছে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি। বর্জ্য দীর্ঘ সময় পড়ে থাকলে দুর্গন্ধ ও জীবাণু ছড়িয়ে আশপাশের পরিবেশের ওপরও বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন উঠেছে, দিনের বেলায় মানুষের চলাচল ও যানবাহনের ব্যস্ততার মধ্যেও প্রকাশ্যে বর্জ্য ফেলার ঘটনা কীভাবে ঘটছে—তা নিয়ে। স্থানীয়দের মতে, নিয়মিত নজরদারি থাকলে গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়কের ওপর এভাবে ময়লা জমে থাকার কথা নয়।
সচেতন নাগরিকরা বলছেন, শুধু ময়লা পরিষ্কার করে সমস্যার সমাধান হবে না। বর্জ্য কোথা থেকে আসছে, কারা সড়কে ফেলছে এবং কেন নির্দিষ্ট ব্যবস্থাপনার আওতায় তা নেওয়া হচ্ছে না—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
তাদের দাবি, কদমতলী মেইন রোড দ্রুত পরিষ্কার করার পাশাপাশি বর্জ্য ফেলার জন্য কার্যকর ও নির্দিষ্ট ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সড়কে প্রকাশ্যে বর্জ্য ফেলা বন্ধে নিয়মিত নজরদারি এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখবে এবং কদমতলীর এই গুরুত্বপূর্ণ সড়ককে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ থেকে মুক্ত করতে স্থায়ী উদ্যোগ নেবে।