
ঢাকা: কারিনা কায়সারের মৃত্যু দেশজুড়ে লিভার রোগ, খাদ্য নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে। যদিও তার মৃত্যুর নির্দিষ্ট কারণ ও চিকিৎসা-সংক্রান্ত সব তথ্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা চিকিৎসা নথির ওপর নির্ভরশীল, তবুও এই ঘটনা মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতার প্রয়োজনীয়তা আবারও সামনে নিয়ে এসেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশে ফ্যাটি লিভারসহ বিভিন্ন লিভার রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। এর পেছনে অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস, স্থূলতা, ডায়াবেটিস, অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব এবং কিছু ক্ষেত্রে খাদ্যে ক্ষতিকর উপাদান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে খাদ্যে ভেজাল, অতিরিক্ত রাসায়নিক ব্যবহার এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। এসব বিষয়ে নিয়মিত নজরদারি ও আইন প্রয়োগের দাবি জানিয়ে আসছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুস্থ থাকতে হলে নিরাপদ খাদ্য গ্রহণ, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, পর্যাপ্ত ব্যায়াম, ধূমপান ও অ্যালকোহল পরিহার এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা জরুরি।
কারিনার মৃত্যু ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে নানা দাবি ছড়িয়ে পড়লেও, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে যাচাই করা তথ্যের ওপর নির্ভর করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। একই সঙ্গে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা এবং স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
স্বাস্থ্যই সবচেয়ে বড় সম্পদ। তাই সচেতনতা, নিরাপদ খাদ্য এবং সময়মতো চিকিৎসাই হতে পারে অনেক প্রাণ বাঁচানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায়।